You May Also Like...

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

37th BCS Preliminary Question Full Solution: বাংলা

০১. কোনটি বাগধারা বোঝায়?

(ক) চৈত্র সংক্রান্তি
(খ) পৌষ সংক্রান্তি
(গ) শিরে সংক্রান্তি
(ঘ) শিব-সংক্রান্তি

উত্তরঃ (গ) শিরে সংক্রান্তি

ব্যাখ্যা: ‘শিরে সংক্রান্তি’ বাগধারার অর্থ- আসন্ন বিপদ, উপস্থিত মহাবিপদ, সামনেই বিপদ। চৈত্র সংক্রান্তি পৌষ সংক্রান্তি এবং শিব সংক্রান্তি বাগধারা নয়। চৈত্র সংক্রান্তি হলো চৈত্র মাসের শেষ দিন। এই দিনে বাঙালি হিন্দুরা শিবের পূজা করে এবং এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের উৎসব অনুষ্ঠান ও মেলা হয়। পৌষ সংক্রান্তি হলো পৌষ মাসের শেষ দিন।

০২. কোনটি মৌলিক শব্দ?

(ক) মানব
(খ) গোলাপ
(গ) একাঙ্ক
(ঘ) ধাতব

উত্তরঃ (খ) গোলাপ

ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে বাংলা শব্দ দুই প্রকার। যথা: মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেসব শব্দকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন- গোলাপ, তিন, নাক, লাল, মা, পা ইত্যাদি। অন্যদিকে মানব [মনু + ষ্ণ(অ)], একাঙ্ক (এক+অঙ্ক) ও ধাতব [ধাতু+ষ্ণ (অ)] সাধিত শব্দ।

০৩. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?

(ক) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
(খ) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
(গ) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
(ঘ) বাংলা সাহিত্যের কথা

উত্তরঃ (ঘ) বাংলা সাহিত্যের কথা

ব্যাখ্যা: বহুভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর (১৮৮৫ -১৯৬৯) দুই খণ্ডে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ (১ম খণ্ড) ১৯৫৩ , ২য় খণ্ড ১৯৬৫)। তার ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- ‘ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। তার শিশুতোষ গ্রন্থ: শেষ নবীর সন্ধানে, ছোটদের রসুলুল্লাহ, সেকালের রুপকথা প্রভৃতি। অন্যদিকে ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ ও ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস ‘গ্রন্থ দুটির লেখক যথাক্রমে ‘ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং ড. সুকুমার সেন। মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটি রচনা করেন।

০৪. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?

(ক) মুনীর চৌধুরী
(খ) হাসান হাফিজুর রহমান
(গ) শামসুর রহমান
(ঘ) গাজীউল হক

উত্তরঃ (খ) হাসান হাফিজুর রহমান

ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’-এর সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক ‘কবর’-এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ভাষাসৈনিক হিসেবে পরিচিত গাজীউল হক। কবি শামসুর রাহমার তার সাংবাদিকতা শুরু করেন ১৯৫৭ সালে ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য মর্নিং নিইজ’ এর সহসম্পাদক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘দৈনিক বাংলা’ এবং ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা’র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

০৫. নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?

(ক) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব
(খ) অনূর্বর, ঊর্ধ্বগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
(গ) ভূরিভুরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃষ্বসা
(ঘ) রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য

উত্তরঃ (ক) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব

ব্যাখ্যা: (ক) অপশনের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। শুদ্ধরুপ: নিক্বণ, সূচ্যগ্র ও অনূর্ধ্ব। অন্যদিকে (খ) অপশনের অনূর্বর ও (গ) অপশনের ভূঁড়িওয়ালা শব্দের শুদ্ধরুপ যথাক্রমে- অনুর্বর ও ভুঁড়িওয়ালা। (ঘ) অপশনের সবগুলো বানানই শুদ্ধ।

০৬. বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটারে’র প্রবর্তক কে?

(ক) মমতাজ উদদীন আহমেদ
(খ) আব্দুল্লাহ আল মামুন
(গ) সেলিম আল দীন
(ঘ) রামেন্দু মজুমদার

উত্তরঃ (গ) সেলিম আল দীন

ব্যাখ্যা: নাট্যকার ড. সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮) নাট্যনির্দেশক নাসিরউদ্দিন ইউসুফের সাথে ১৯৮১-৮২ সালে ‘গ্রাম থিয়েটার ‘ গঠন করেন এবং তিনি ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক: ঘুম নেই, চাক, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, কেরামতমঙ্গল, কীত্তনখোলা হাতহদাই, হরগজ বনপাংশুল। অন্যদিকে নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদের উল্লেখযোগ্য নাটক: স্বাধীনতা, বর্ণচোরা। আবদুল্লাহ আল মামুনের উল্লেখযোগ্য নাটক: সুবচন নির্বাসনে, এখন দুঃসময় এখন ও ক্রীতদাস, কোকিলারা। নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের উল্লেকযোগ্য নাট্যগ্রন্থ: তত্ত্ব ও শিল্পরুপ, বাংলাদেশের নাট্যচর্চার তিন দশক।

০৭. ‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির অর্থ কী?

(ক) একাগ্রতায়
(খ) সমান ব্যবহারে
(গ) সম ভাবনায়
(ঘ) একযোগে

উত্তরঃ (ঘ) একযোগে

ব্যাখ্যা: ‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ, যার অর্থ- সঙ্গে; একযোগে বা সংঘদ্ধ হয়ে। যেমন- মন্ত্রী অমাত্য সমভিব্যাহারে রাজা শিকারে চললেন।

০৮. শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?

(ক) ভাবরস
(খ) মধুর রস
(গ) প্রেমরস
(ঘ) লীলারস

উত্তরঃ (খ) মধুর রস

ব্যাখ্যা: কাব্যসাহিত্য শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, বীর, অদ্ভুত, ভয়ানক, বীভৎস শান্ত, বাৎসল্য- রসের সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাব থেকে রসের উৎপত্তি। বৈষ্ণব সাহিত্য ও সাধনার পাঁচ পন্থা- শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য, মধুর রস। বৈষ্ণব পদাবলির মধুর রসের মধ্যে রাধাকৃষ্ণর রপকাশ্রয়ে ভক্ত ও ভাগবানের নিত্য বিরহমিলনের লীলাবৈিচত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়।

০৯. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

(ক) Buddhist Mystic Songs
(খ) চর্যাগীতিকা
(গ) চর্যাগীতিকোষ
(ঘ) হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা

উত্তরঃ (ক) Buddhist Mystic Songs

ব্যাখ্যা: ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ- ‘Buddhist Mystic Songs’ (১৯৬০)। তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ: দীওয়ান হাফিজ, অমিয়শতক, রুবাইয়াত-ই-ওমর খ্যায়াম, বিদ্যাপতি শতক, মহররম শরীফ, Hundred Sayings of the Holy Prophet. তার ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ এবং বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। তার সম্পাদনায় রচিত হয়- বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।

১০. ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?

(ক) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
(খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(গ) চন্দ্রকুমার দে
(ঘ) দীনেশচন্দ্র সেন

উত্তরঃ (গ) চন্দ্রকুমার দে

ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা: নাথ গীতিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা পূর্ববঙ্গ গীতিকা। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেক্যযোগ্য পালা: মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী, দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলাভাষার প্রথম’চর্যাপদ’ উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্থ: ঠাকুর ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।

১১. ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?

(ক) কোন চর্যাগান, আর কোনটি নয়
(খ) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
(গ) কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
(ঘ) কোন আচার্যের, আর কোনটি নয়

উত্তরঃ (খ) কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়

ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ- নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম আচার। চর্যাচর্য অর্থ- আচরণীয় ও অনাচরণীয়; পালনীয় ও বর্জনীয়। চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ- কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত এটি যে গ্রন্থে বা যে সমস্ত গীতিকবিতায় স্থিরীকৃত হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।

১২. ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনী অবলম্বনে লেখা?

(ক) শৈবধর্ম
(খ) বৌদ্ধ সহজযান
(গ) নাথধর্ম
(ঘ) কোনটি নয়

উত্তরঃ (গ) নাথধর্ম

ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লার একটি উল্লেখ্যযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ‘গোরক্ষ বিজয়’। এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস-জাত যোগের মহিমা এবং নারী-ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রুপায়িত হয়েছে। শেখ ফয়জুল্লার আরো কয়েকটি গ্রন্থ: গাজীবিজয়; সত্যপীর, রাগনামা, জয়নালের চৌতিশা। উল্লেখ্য, বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।

১৩. শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত–

(ক) রামনিধি গুপ্ত
(খ) দাশরথি রায়
(গ) এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি
(ঘ) রামপ্রসাদ সেন

উত্তরঃ (ঘ) রামপ্রসাদ সেন

ব্যাখ্যা: শাক্তসাধক বা সিদ্ধ পুরুষদের লেখা সাধন সংগীতকেই শাক্ত পদাবলি বলা হয়। রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক। তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার পদগুলো- শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সঙ্গীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিতি। তার গানে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ: বিদ্যাসুন্দর, কালীকীর্তন। অন্যদিকে রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যে টপ্পা গানের প্রবর্তক। পর্তুগিজ এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা ভাষার অন্যতম কবিয়াল এবং দাশরথি রায় ছিলেন পাঁচালী গানের শক্তিশালী কবি।

১৪. ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

(ক) হুমায়ুন আজাদ
(খ) হেলাল হাফিজ
(গ) আসাদ চৌধুরী
(ঘ) রফিক আজাদ

উত্তরঃ (ক) হুমায়ুন আজাদ

ব্যাখ্যা: কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের (১৯৪৭-২০০৪) প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ (১৯৭৩)। এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা: স্নানের জন্যে জল দাও বাতাস, আত্মহত্যার অস্ত্রাবলি, জ্যোৎস্নার অত্যাচার। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু। অন্যদিকে হেলাল হাফিজের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে। আসাদ চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: তবক দেওয়া পান, বিত্ত নাই বেসাত নাই, জলের মধ্যে লেখাজোখা, নদী বিবস্ত্র হয়। রফিক আজাদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: অসম্ভবের পায়ে, এক জীবনে, প্রেমের কবিতা, প্রিয় শাড়িগুলি।

১৫. শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?

(ক) আইন
(খ) প্রথা
(গ) শুল্ক
(ঘ) রাজস্বনীতি

উত্তরঃ (খ) প্রথা

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ‘Custom’ শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ- প্রথা; অভ্যাস; সামাজিক রীতিনীত। অন্যদিকে, Act বা Law-এর পরিভাষা আইন; Duty-এর পরিভাষা শুল্ক; Revenue policy- এর পরিভাষা রাজস্বনীতি।

১৬. কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’কে স্মরণ করেছেন কেন?

(ক) ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
(খ) ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
(গ) প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
(ঘ) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে

উত্তরঃ (ঘ) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে

ব্যাখ্যা: ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘মানুষ’ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে, তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্বরণ করেছেন। তাইতো কাজী নজরুল লিখেছেন, মোল্লা পুরুত লাগয়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!’ কোথা চেঙ্গিস’ গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া দ্বার! ‘কালাপাহাড়’ ছিলেন বাংলা ও বিহারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাত দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। আর তখন থেকেই তিনি ‘কালাপাহাড়’ নামে পরিচিত।

১৭. “প্রদীপ নিবিয়া গেল!”-এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?

(ক) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
(খ) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
(গ) বঙ্কিচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’
(ঘ) রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’

উত্তরঃ (ক) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’

ব্যাখ্যা: ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল।’ ___ উক্তিটি বঙ্গিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচতি কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) উপন্যাসের। এটি কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ’ পান্থনিবাসে’ -এর শেষ বাক্য ।

১৮. “মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।”-কার উক্তি?

(ক) মীর মশাররফ হোসেনের
(খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
(ঘ) কাজী নজরুল ইসলামের

উত্তরঃ (ক) মীর মশাররফ হোসেনেরৎ

ব্যাখ্যা: ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি -‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।’ মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি ‘শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।’ মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি- ‘যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।’

১৯. বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?

(ক) তৃতীয় বর্ণ
(খ) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
(গ) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
(ঘ) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ

উত্তরঃ (খ) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ

ব্যাখ্যা: যে ধ্বনি উচ্চারণে নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয় তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি । বর্গের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ বর্ণ বা ধ্বনিকে বলা হয় মাহপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ ইত্যাদি। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং পঞ্চম বর্ণ হলো নাসিক্য ধ্বনি।

২০. ‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?

(ক) দেশি উপসর্গযোগে
(খ) বিদেশি উপসর্গযোগে
(গ) সংস্কৃত উপসর্গযোগে
(ঘ) কোনটি নয়

উত্তরঃ (ক) দেশি উপসর্গযোগে

ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১ টি । যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন ,আব, ইতি, উন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। ‘কদাকার’ শব্দটি দেশি ‘কদ’ উপসর্গযোগে গঠিত।

২১. যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?

(ক) মাত্রাবৃত্ত
(খ) অক্ষরবৃত্ত
(গ) মুক্তক
(ঘ) স্বরবৃত্ত

উত্তরঃ (ঘ) স্বরবৃত্ত

ব্যাখ্যা: প্রশ্নে ‘যুক্তাক্ষর’ -এর স্থলে হবে ‘মুক্তাক্ষর’। কবিতার নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে। ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে। তিনভাগে- অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্ত ধীরগিতর- তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা, বদ্ধাক্ষর একক ভাবে দুই যাত্রা, শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও বদ্ধক্ষর দুই মাত্রার হয়। আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।

২২. নিচের কোনটি অশুদ্ধ?

(ক) অহিংস-সহিংস
(খ) প্রসন্ন-বিষণ্ন
(গ) দোষী-নির্দোষী
(ঘ) নিষ্পাপ-পাপিনী

উত্তরঃ (গ) দোষী-নির্দোষী

ব্যাখ্যা: ‘দোষী-নির্দোষী’ এটি অশুদ্ধ। শুদ্ধরুপ হবে দোষী-নির্দোষ।

২৩. ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?

(ক) বুদ্ধদেব বসু
(খ) দীনেশরঞ্জন দাশ
(গ) সজনীকান্ত দাস
(ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র

উত্তরঃ (খ) দীনেশরঞ্জন দাশ

ব্যাখ্যা: ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। ‘কল্লোল’ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত’ শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ । বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা ‘কবিতা’ সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকা ‘বঙ্গশ্রী’ এবং প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত পত্রিকা ‘কালিকলম’।

২৪. “আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি।” রবীন্দ্রনাথের এ গানে “নিছনি” কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

(ক) অপনোদন অর্থে
(খ) পূজা অর্থে
(গ) বিলানো অর্থে
(ঘ) উপহার অর্থে

উত্তরঃ (ঘ) উপহার অর্থে

ব্যাখ্যা: ‘নিছনি শব্দের আভিধানিক অর্থ রুপ, লাবণ্য, উপহার, বেশিবিন্যাস, অর্ঘ্য, নিবেদন ইত্যাদি রবীন্দ্রনাথের এ গানে চরণতলে ‘নিছনি’ শব্দটি অর্ঘ্য অর্থাৎ পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

২৫. “ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।”-কে বলেছেন?

(ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
(খ) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
(গ) প্রমথ চৌধুরী
(ঘ) কাজী আব্দুল ওদুদ

উত্তরঃ (ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী

ব্যাখ্যা: ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুক্তবুদ্ধিচর্চা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩-১৯৫৬) রচিত প্রবন্ধের সংকলন ‘সংস্কৃতি- কথা’ (১৯৫৮)। এ প্রবন্ধগ্রন্থে মোট -ত্রিশটি প্রবন্ধ রয়েছে উপরিউক্ত বাক্যটি মোতাহের হোসেন চৌধুরী তার ‘সংস্কৃতি-কথা’ প্রবন্ধে প্রথমেই উল্লেখ করেছেন।

২৬. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

(ক) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
(খ) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্তি হলাম।
(গ) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
(ঘ) সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।

উত্তরঃ (খ) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্তি হলাম।

ব্যাখ্যা: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র (খ)-তে প্রদত্ত বাক্যটিই নির্ভুল। (ক) অপশনে ‘স্বপরিবারে’- এর স্থনেু ‘সপরিবারে’, (গ) অপশনে ‘পরশ্রীকাতরতা’ শব্দের অর্থ অপরের উন্নতিতে ঈর্ষা প্রকাশ। তাই এখানে ‘মুগ্ধ’ শব্দ অপপ্রয়োগ এবং (ঘ) অপশনে ‘যায়’- এর স্থলে ‘যান’ হবে।

২৭. Ode কী?

(ক) শোককবিতা
(খ) পত্রকাব্য
(গ) খন্ড কবিতা
(ঘ) কোরাসগান

উত্তরঃ (ঘ) কোরাসগান

ব্যাখ্যা: Ode -এর আভিধানিক বা গাথাকবিতা। অনেকে Ode-কে স্ত্রোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক Elegy অর্থ শোককবিতা।

২৮. মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

(ক) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
(খ) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
(গ) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
(ঘ) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব

উত্তরঃ (ঘ) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব

ব্যাখ্যা: মুহম্মদ আবদুল হাই (১৯১৯-১৯৬৯) শিক্ষাবিদ ধ্বনিতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক। তিনি প্রবন্ধ ও গবেষণার জন্য ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ( ১৯৬৪)।

২৯. ‘জলে–স্থলে’ কী সমাস?

(ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব
(খ) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
(গ) অলুক দ্বন্দ্ব
(ঘ) একশেষ দ্বন্দ্ব

উত্তরঃ (গ) অলুক দ্বন্দ্ব

ব্যাখ্যা: যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে অক্ষুণ্ণ থাকে তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন- জলে-স্থলে, হাতে-কলমে, দুধে-ভাতে, দেশে-বিদেশে ইত্যাদি। সম অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন হলে তাকে বলা হয় সমার্থক দ্বন্দ্ব। যেমন- হাট ও বাজার =হাট-বাজার। অর্থের দিক থেকে যে দ্বন্দ্ব পরস্পরের মধ্যে বিরোধ বা বৈপরীত্য বুঝায়, তাকে বলা হয় বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব। যেমন- আয় ও ব্যয়= আয়-ব্যয়। যে সমাসে অন্যান্য পদের বিলুপ্তি ঘটিয়ে প্রথম পদটির সঙ্গে শেষ পদটির সামঞ্জস্য রচিত হয়, তাকে বলে একশেষ দ্বন্দ্ব। যেমন- জায়া ও পতি =দম্পতি।

৩০. ‘ঔ’ কোন ধরনের স্বরধ্বনি?

(ক) যৌগিক স্বরধ্বনি
(খ) তালব্য স্বরধ্বনি
(গ) মিলিত স্বরধ্বনি
(ঘ) কোনটি নয়

উত্তরঃ (ক) যৌগিক স্বরধ্বনি

ব্যাখ্যা: গঠনের বিচারে স্বরধ্বনি তিন প্রকার। যথা: ক. আনুনাসিক স্বরধ্বনি, খ. মৌলিক স্বরধ্বনি ও গ. দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি স্বরধ্বনির দ্রুত উচ্চারণের ফলে একটি যুক্ত স্বরধ্বনি বলে। একে সন্ধিস্বর বা দ্বিস্বরধ্বনিও বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’- এ দুটি যৌগিক স্বরধ্বনি।

৩১. “বিস্ময়াপন্ন” সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

(ক) বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
(খ) বিস্ময়ে আপন্ন
(গ) বিস্ময়কে আপন্ন
(ঘ) বিস্ময়ে যে আপন্ন

উত্তরঃ (গ) বিস্ময়কে আপন্ন

ব্যাখ্যা: সমাস অর্থ শব্দ সংক্ষেপণ। পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ লোপ পেয়ে যে সমাস হয় সেটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস। বিস্ময়কে আপন্ন- ‘কে’ লোপ করে হয় বিস্ময়াপন্ন।

৩২. কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল–

(ক) পলাশীর যুদ্ধ
(খ) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
(গ) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
(ঘ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর

উত্তরঃ (খ) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ

ব্যাখ্যা: মুসলিম মহাকবি কায়কোবাদের (১৮৪৮-১৯৫২) শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য ‘মহাশ্মশান’ (১৯০৪)। কাব্যটির ঐতিহাসিক পটভূমি হলো তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ (১৭৬১)। তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধে মহারাষ্ট্রীয়দের পরাজয় এবং আহমদ শাহ আবদালীর বিজয় বর্ণনা কাব্যটির বিষয়বস্তু। কাব্যটি তিনটি খণ্ডে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম খণ্ডে ২৯ সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খণ্ডে ৭ সর্গ রয়েছে।

৩৩. সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?

(ক) রহু চন্ডালের হাড়
(খ) কৈবর্ত খন্ড
(গ) ফুল বউ
(ঘ) অলীক মানুষ

উত্তরঃ (ঘ) অলীক মানুষ

ব্যাখ্যা: ‘অলীক মানুষ’ ভারতীয় বাঙালি লেখক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। ‘অলীক মানুষ’ বলতে লেখক ‘মিথিক্যাল ম্যান’ বুঝিয়েছেন।

৩৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?

(ক) ১৯১০
(খ) ১৯১১
(গ) ১৯১২
(ঘ) ১৯১৩

উত্তরঃ (ক) ১৯১০

ব্যাখ্যা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ববাসীর নিকট পরিচিত করেন। কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য ও অন্যান্য কাব্যের কিছু কবিতা ‘Song Offerings’ নামে প্রকাশ করে ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

৩৫. ‘আসাদের শার্ট’ কবিতার লেখক কে?

(ক) আল মাহমুদ
(খ) আব্দুল মান্নান সৈয়দ
(গ) অমিয় চক্রবর্তী
(ঘ) শামসুর রাহমান

উত্তরঃ (ঘ) শামসুর রাহমান

ব্যাখ্যা: ‘আসাদের শার্ট’ কবিতার লেখক শামসুর রাহমান। ‘নিজ বাসভূমে’ (১৯৭০) কাব্যগ্রন্থে কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আসাদের রক্তাক্ত শার্টকে উপলক্ষ করেই কবি কবিতাটি রচনা করেন।

-Download & Watch Free HD Movies & Series For free- https://stplex.com

37th BCS Question with Answer | All BCS Question Solution
3

stplex.comspot_img