You May Also Like...

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

39th (Special) BCS Preliminary Question Full Solution: Bangla

০১. বিভক্তিহীন নাম-শব্দকে কী বলে?

(ক) নাম-পদ
(খ) মৌলিক শব্দ
(গ) কৃদন্ত শব্দ
(ঘ) প্রাতিপাদিক

Answer: (ঘ) প্রাতিপাদিক

ব্যাখ্যা: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপাদিক বলে। যেমন -হাত ,বই, কলম ইত্যাদি। নাম বা শব্দ শেষে শব্দবিভক্তি যোগে গঠিত পদকে নামপদ বলে। যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশে সক্ষম তাকে মৌলিক শব্দ বলে। কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে।

০২. ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?

(ক) রুই
(খ) পান-ব্যবসায়ী
(গ) পর্ণকা
(ঘ) তামসিক

Answer: (ঘ) তামসিক

ব্যাখ্যা: তাম্বুলিক অর্থ বারুই, পান-ব্যাবসায়ী, পর্ণকার। তামসিক অর্থ মেঘাচ্ছন্ন, অজ্ঞতাপ্রসূত। প্রশ্নে উল্লিখিত ‘তাম্বুলিক’ শব্দের স্থলে ‘তাম্বূলিক’ হবে।

০৩. কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?

(ক) দোতলা
(খ) আশীবিষ
(গ) কানাকানি
(ঘ) অজানা

Answer: (গ) কানাকানি

ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি একরূপ বিশেষ্য দিয়ে এক জাতীয় কাজ বোঝায় তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: কানে কানে যে কথা =কানাকানি । আরো কয়েকটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস: হাতাহাতি হাসাহাসি, লাঠালাঠি, কোলাকুলি, চুলাচুলি। অন্যদিকে অজানা, দোতলা ও আশীবিষ যথাক্রমে নঞ্, প্রত্যয়ান্ত ও ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।

০৪. সাধু ও চলিত ভাষাৰ মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?

(ক) বিশেষণ ও ক্রিয়া
(খ) বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
(গ) ক্রিয়া ও সর্বনাম
(ঘ) বিশেষ্য ও ক্রিয়া

Answer: (গ) ক্রিয়া ও সর্বনাম

ব্যাখ্যা: সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে বেশি দেখা যায়। সাধুরীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রুপ লাভ করে। যেমন- ভাষারীতি: সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল তারা ভাত খাচ্ছিল

০৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে:

(ক) জামাই ৰারিক
(খ) বিবাহ-বিভ্রাট
(গ) হিতে বিপরীত
(ঘ) বৈকুণ্ঠের খাতা

Answer: (ঘ) বৈকুণ্ঠের খাতা

ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় কৌতুক নাটক ‘বৈকুণ্ঠের খাতা’। এক আত্মভোলা সরল প্রকৃতির বৃদ্ধ এই কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র। তাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে নানা ধরনের কৌতুকময় ঘটনা। সংলাপের দ্রুতি এবং আচরণের নাটকীয়তা নাটকটির জনপ্রিয়তার মূল কারণ। ‘জামাই বারিক’ ‘হিতে বিপরীত ও ‘বিবাহ বিভ্রাট’ প্রহসনত্রয়ের রচয়িতা যথাক্রমে দীনবন্ধু মিত্র, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অিমৃতলাল বসু।

০৬. কোনটি অপাদান কারক?

(ক) জিজ্ঞাসিব জনে জনে
(খ) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
(গ) বনে বাঘ আছে
(ঘ) গৃহহীনে গৃহ দাও

Answer: (খ) ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে

ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমন- ট্রেন ঢাকা ছাড়ল। অন্য অপশনগুলোকে (ক) জিজ্ঞাসিব জনে জনে -কর্মকারক (গ) বনে বাঘ আছে- অধিকরণ কারক।(ঘ) গৃহহীনে গৃহ দাও- সম্প্রদান কারক;

০৭. ‘দুরবস্থা’ শব্দটি সন্ধি বিচ্ছেদ করা হলে নীচের কোনটি পাওয়া যায়?

(ক) দুর+বস্থা
(খ) দুর+বস্থা
(গ) দুর+অবস্থা
(ঘ) দুঃ+ অবস্থা

Answer: (ঘ) দুঃ+ অবস্থা

ব্যাখ্যা: পূর্বপদের শেষে যদি অ/ আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র-জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ ‘র’ হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন- (উঃ+অ =উ +র) দুঃ+অবস্থা=দুরবস্থা, চতুঃ+অঙ্গ =চতুরঙ্গ।

০৮. ‘আগুন’- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

(ক) অনল
(খ) অংশু
(গ) জ্যোতি
(ঘ) ভাতি

Answer: (ক) অনল

ব্যাখ্যা: ‘আগুন’-এর সমার্থক শব্দ: অনল, পাবক, দহন, সর্বভুক, সর্বশুচি, বহ্নি, অগ্নি হুতাশন। অন্যদিকে ভাতি, অংশু ও জ্যোতি হলো ‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ।

০৯. জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?

(ক) বুদ্ধদেব বসু
(খ) নবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(গ) সৈয়দ শামসুল হক
(ঘ) বিষ্ণু দে

Answer: (ক) বুদ্ধদেব বসু

ব্যাখ্যা: কবি জীবনানন্দ দাশ তার কবিতায় ব্যক্তিমানুষের নিঃসঙ্গতা, আধুনিক জীবনের বিচিত্র যন্ত্রণা ও হাহাকার এবং সর্বোপরি জীবন ও জগতের রহস্য ও মাহাত্ম্য সন্ধানে এক অতুলনীয় কবি ভাষা সৃষ্টি করেছেন। এজন্য তাকে বুদ্ধদেব বসু আখ্যায়িত করেছেন ‘নির্জনতম কবি’ বলে। তার কবিতায় তিনি সূক্ষ্ম ও গভীর অনুভবের এক জগৎ তৈরি করেন। বিশেষ করে গ্রামবাংলার নিসর্গের যে ছবি তিনি একেছেন, সে নিসর্গের সঙ্গে অনুভব ও বোধের বহুতর মাত্রা যুুক্ত হয়ে তার হাতে অনন্যসাধারণ কবিতা শিল্প রচিত হয়েছে। এই অসাধারণ কাব্য বৈশিষ্ট্যকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘চিত্ররুপময়’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

১০. ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ ও ‘বেদান্ত সার’ কার রচনা?

(ক) গােলকনাথ শৰ্মা
(খ) রামরাম বসু
(গ) মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
(ঘ) রাজা রামমোহন রায়

Answer: (ঘ) রাজা রামমোহন রায়

ব্যাখ্যা: ‘বেদান্তগ্রন্থ’ ও ‘বেদান্তসার’ গ্রন্থ দুটির রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়। এছাড়া তার আর ও কয়েকটি গ্রন্থ: ভট্রাচার্যের সহিত বিচার, গোস্বামীর সহিত বিচার, সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ, গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি। গোলকনাথ শর্মা, রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এই তিন পণ্ডিত ব্যক্তি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্য বাংলা গদ্যপুস্তক রচনা করেন।

১১. ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?

(ক) গরল
(খ) কুটিল
(গ) জটিল
(ঘ) বক্র

Answer: (ক) গরল

ব্যাখ্যা: সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘গরল’ বাদে অপশনের বাকি তিনটিই। তবে এরা ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হয়। গরল হলো অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।

১২. নিচের কোনটি যৌগিক কালের উদাহরণ নয়?

(ক) করেছি
(খ) করছি
(গ) করব
(ঘ) করছিলাম

Answer: (গ) করব

ব্যাখ্যা: ‘করব’ ক্রিয়াটি দ্বারা ভবিষ্যৎ কালে ঘটবে এমন কাল নির্দেশ করে, ফলে ‘করব’ ক্রিয়ার কালটি যৌগিক নয়। অন্যদিকে ‘করছিলাম’, ‘করেছি’ এই তিনটি ক্রিয়ার মধ্যে ‘করছিলাম’ ও ‘করছি’ ঘটমান কালকে নির্দেশ করে অর্থাৎ কোনো একটি চলমান কাজকে বুঝায়, যা অতীতে অথবা বর্তমান যে কোনো সময় ধরে চলছে। অর্থাৎ কাজটি সম্পন্ন হওয়ার পরম্পরাটি এরুপ : অতীত+অতীত, অতীত+বর্তমান+ভবিষ্যৎ। ‘করেছি’ ঘটমান কাল। ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবংতার ফল এখন ও বর্তমান থাকলে, পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ যৌগিক কাল নির্দেশ করে।

১৩. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হােসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?

(ক) পদ্মাবতী
(খ) পদ্মগোখরা
(গ) পদ্মরাগ
(ঘ) পদ্মমণি

Answer: পদ্মরাগ

ব্যাখ্যা:  মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস ‘পদ্মরাগ’। তার রচিত আরেকটি উপন্যাস ‘সুলতানার স্বপ্ন’। ‘পদ্মাবতী’ নামে কাব্য ও নাটক লিখেন যথাক্রমে আলাওল ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ‘পদ্ম-গোখরো’ গল্পের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।

১৪. মীর মশাররফ হােসেন রচিত গ্রন্থ হচ্ছে:

(ক) আলালের ঘরের দুলাল
(খ) হতােম প্যাঁচার নক্সা
(গ) কলিকাতা কমলালয়
(ঘ) গাজী মিয়ার বস্তানী

Answer: (ঘ) গাজী মিয়ার বস্তানী

ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী”। এছাড়াও তার আরও কয়েকটি গ্রন্থ: বিষাদ -সিন্ধু নিয়তি কি অবনতি, উদাসীন পথিকের মনের কথা, ফাস কাগজ প্রভূতি। ‘আলালের ঘরের দুলাল’ ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ ও কলিকাতা কমলালয়’ গ্রন্থত্রয়ের রচয়িতা যথাক্রমে- প্যারীচাঁদ মিত্র, কালীপ্রসন্ন সিংহ ও ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৫. কোন শব্দটি উপসর্গ নিয়ে গঠিত হয়েছে?

(ক) আষাঢ়
(খ) আঘাটা
(গ) আয়না
(ঘ) আনন

Answer: (খ) আঘাটা ও (ঘ) আনন

ব্যাখ্যা: ‘আঘাটা’ শব্দটি বাংলা ‘আ’ উপসর্গ যোগে গঠিত। এর গঠন হলো: আ+ঘাট=আঘাট>আঘাটা। ‘আনন’ শব্দটি সংস্কৃত ‘আ’ উপসর্গ যোগে গঠিত। এর গঠন হলো: আ+√অন্+অন=আনন।

 ১৬. ‘খনার বচন’- এর মূলভাব কি?

(ক) শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
(খ) সামাজিক মঙ্গলবােধ
(গ) রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি
(ঘ) লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত

Answer: (খ) সামাজিক মঙ্গলবােধ

ব্যাখ্যা: বিখ্যাত বাঙালি মহিলা জ্যোতিষী খনা রচিত ‘খনার বচন’ মূলত কৃষিভিত্তিক ছড়া। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী চাষাবাদ, বৃক্ষরোপণ, গৃহনির্মাণ ইত্যাদি জীবন ঘনিষ্ঠ বিষয় নিয়ে খনার বচন রচিত। অজস্র খনার বচন যুগ যুগ ধরে গ্রাম বাংলার জন -জীবনের সাথে মিশে আছে।

১৭. ‘Hand out’- এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা হলো:

(ক) জ্ঞাপনপত্র
(খ) তথাপত্র
(গ) প্রচারপত্র
(ঘ) হস্তপত্র

Answer: (ক) জ্ঞাপনপত্র

ব্যাখ্যা: “Hand out”— এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা- জ্ঞাপনপত্র।

১৮. তুমি তাে ভারি সুন্দর ছবি আঁক!’- বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?

(ক) অনুকার অব্যয়
(খ) পদান্বয়ী অব্যয়
(গ) অনুসর্গ অব্যয়
(ঘ) অনন্বয়ী অব্যয়

Answer: (ঘ) অনন্বয়ী অব্যয়

ব্যাখ্যা: যেসব অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন- আপনি যা জানেন তা তো ঠিকই ঘটে। এখানে ‘তো’ অনন্বয়ী অব্যয়। #যেসব অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার অব্যয় বলে। যেমন- মেঘের গর্জন- গুড় গুড়। যেসব অব্যয় শব্দ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভক্তির ন্যায় বসে কারকবাচকতা প্রকাশ করে, তাদের অনুসর্গ অব্যয় বলে। যেমন- ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না। এখানে ‘দিয়ে’ অনুসর্গ অব্যয়। উল্লেখ্য অনুসর্গ অব্যয় ‘পদান্বয়ী অব্যয়’ নামেও পরিচিত।

১৯. কোন উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত?

(ক) উপভােগ
(খ) উপগ্রহ
(গ) উপসাগর
(ঘ) উপনেতা

Answer: (ক) উপভােগ

ব্যাখ্যা: উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা এই তিন শব্দে ক্ষুদ্র অর্থে ‘উপ’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। অন্যদিকে উপভোগ শব্দে ‘উপ’ উপসর্গটি ‘বিশেষ তৃপ্তি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

২০. ‘বাধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?

(ক) উপন্যাস
(খ) নাটক
(গ) কবিতা
(ঘ) ভ্রমণ কাহিণী

Answer: (ক) উপন্যাস

ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস ‘বাঁধন-হারা’ (১৯২৭) ১৯২১ সালে ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র: নুরুল হুদা, রাবেয়া, মাহবুবা। তার রচিত আরো দুটি উপন্যাস: মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা ।

-Download & Watch Free HD Movies & Series For free- https://stplex.com

39th (Special) BCS Question with Answer | All BCS Question Solution
3

stplex.comspot_img